Showing posts with label বন্দি. Show all posts
Showing posts with label বন্দি. Show all posts

Tuesday, January 21, 2014

অনুগল্পঃ অভিমানী


বাবা-মা আর তারা দুই ভাই-বোন এই চারজন নিয়ে রিদিমাদের ছোট পরিবার। বাবা ছোট ব্যাবসা করেন, মা শিক্ষিকা এবং ভাই এবার এইচএসসি দিলো। মফস্বলের এমন একটা মধ্যবিত্ত পরিবারের অভিমানী মেয়ে রিদিমার হারিয়ে যাওয়া নিয়ে আজকের গল্প। রিদিমা এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে, তার বয়স ১৫ কিন্তু রেজিস্ট্রেশনে একবছর কমিয়ে ১৪ করা হয়েছে। অর্থাৎ সে যে বয়সটা পার করছে রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, এই বয়সের ছেলে-মেয়েদের মতো পৃথিবীতে এমন ‘বালাই’ আর নাই! তার সমবয়সী অন্যদের ব্যাপার যেমনটা হোক না কেন, সে যে সবার কাছে ধীরে ধীরে ‘বালাই’ হয়ে উঠছে এটা সে ঠিক বুঝতে পারছে। হঠাৎ করে এই

Thursday, July 18, 2013

অনুগল্পঃ ছোটলোক


এক.
এশার নামাজ শেষ করে জমিরুদ্দীন সরদার কালুর কাছে এক গ্লাস পানি চাইলেন। আজ তার গলাটা বার বার শুকিয়ে যাচ্ছে। কালু পানি নিয়ে প্রস্তুত ছিল। কালু জমিরুদ্দীন সরদারের ডান হাত। সে সব সময় তার সাথে ছায়ার মত থাকে। পানি দিয়ে তার চলে যাওয়ার কথা, কিন্তু সে দাঁড়িয়ে আছে। তার মানে সে কিছু বলতে চায়। জমিরুদ্দীন সরদার কালুকে গুরুত্ব দিলেন না, তিনি কাঁচের গ্লাসের দিকে তাকিয়ে আছেন। কালু দাঁড়িয়ে আছে থাক। দাঁড়িয়ে থাকাই তার কাজ। তিনি কিছু জিজ্ঞাসা না করলে কালু কিছু বলবেও না। পানির মধ্যে একটা ছোট্ট কালো কুটি দেখা যাচ্ছে। পানিটা ফেলে কালুকে নতুন পানি আনতে বললেই সে আনবে কিন্তু বলতে ইচ্ছে করছে না। কুটিটা ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে...যাক। তলিয়ে গেলে তখন পানিটা খাওয়া যাবে।

Monday, July 1, 2013

অনুগল্পঃ বন্দিত্ব


বারান্দাটা এতো ছোট তার উপর এক পা ভাঙ্গা একটা চেয়ার রাখাতে এক জনের বেশি দাঁড়ানো যায় না। চেয়ারটাতে বাবার অনেক স্মৃতি। বাবা মারা যাওয়ার পর এই চেয়ারটার উপর খুব মায়া পড়ে গেছে। তিনতলায় ছোট্ট ছোট্ট দুইটা ঘর, আসবাব পত্র দিয়ে ভর্তি। চেয়ারটা রাখার মত জায়গা নেই, তাই মিতু ওটাকে বারান্দায় রেখেছে। জোছনার আলোতে মিতু তার ছোট্ট বারান্দার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে আছে। সে আশ্চর্য হয়ে খেয়াল করছে আজ জোছনার আলো তাকে গ্রাস করতে পারছে না। ঘরে অসুস্থ মা, তাঁর ওষুধ শেষ।

Saturday, May 18, 2013

ছেলেটা-০১


গল্পটা ছেলেটার এইসএসসি পরীক্ষার সময়ের। পরীক্ষা চলছে। হঠাৎ তার ফিজিক্স পরীক্ষা খারাপ হয়ে গেল। শুধু খারাপ না, পাশ ফেল নিয়ে টানাটানি। ছাত্র হিসেবে সে কখনোই খারাপ ছিল না। তাই তার কাছে এমন কিছু সত্যি অপ্রত্যাশিত ছিল! চারেদিক থেকে শত শত কথার তীর! যেন পৃথিবীর সবাই তার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে! এমনি গ্রামের ছেলে হয়ে স্রোতের বিপরীতে এসএসসি পাশ করার পর শহরে ভর্তি হওয়া নিয়ে অনেকের চক্ষু শূল, তার উপর

Friday, May 10, 2013

অনুগল্পঃ পশু


বড় রাস্তা থেকে নেমে আসা একটা ছোট্ট পথ জংলার মধ্যে দিয়ে গ্রামের বট তলাতে উঠেছে। দু’ধার দিয়ে গাছ আর জঙ্গলে ভরা, বেশ নিরিবিলি, লোকজনের যাতায়াতও কম। সবাই বড় রাস্তা ঘুরে যায়। খুব অল্প সময়ে গ্রামে পৌছান গেলেও এই জংলা পথে তেমন মানুষ চলাচল করে না। 

রাস্তার পাশে ঘন জংলার ভেতর মজনু নিজেকে আড়াল করে বসে আছে। ভেতরে ভেতরে সে

Wednesday, May 8, 2013

বন্দিত্ব! :(


দেশে কি শুরু হয়ে গেল বুঝতে পারছি না। নিজের দেশে নিজেকেই বন্দি বন্দি লাগছে। সবার মধ্যে চাপা ভয়...খুব জরুরী কাজ ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না, যে কোনও কিছু হয়ে যেতে পারে।
বাড়ি থেকে ঘন ঘন বাবা-মায়ের বারবার ফোন ‘তুই এখন কোথায়?’ ‘বাইরে?’ ‘এখন বাইরে কি করিস?’ 'তাড়াতাড়ি বাসায় যা।' ১০ মিনিট পর আবার ফোন ‘বাসায় গেছিস?’ ইত্যাদি। বাবা-মায়েরই বা কি দোষ দেবো?