Showing posts with label ভাই. Show all posts
Showing posts with label ভাই. Show all posts

Sunday, January 5, 2014

শত্রু শত্রু খেলা!


আজ ইফতারীর ৩০-৪০ মিনিট আগে আমাদের দরজাতে একজন মা এসেছেন, তাঁর সাদা ড্রেস পরা মেয়েকে খুঁজতে! লাল ড্রেস পরা একটা ছেলে তাঁর মেয়েকে এই বাসার কোনো এক ফ্ল্যাটে নিয়ে এসেছে! তাঁর ছোট ছেলে বোনকে একজনের সাথে এই বাসাতে ঢুকতে দেখেছে। তিনি রিপোর্ট পেয়ে ছুটে এসেছেন। ভদ্র মহিলা মেয়ের খোঁজে এই প্রত্যেকটা ফ্ল্যাটে নক করে চলেছেন। এই বাসাতে চার তলাতে একটা ফ্ল্যাট, পাঁচ তলাতে আমরা একটা ফ্ল্যাট, পাশে আরেকটা ফ্ল্যাট, ছয় তলাতে তিনটা ফ্ল্যাট নিয়ে মোট ছয়টা ফ্ল্যাট ব্যাচেলর থাকে। ছয় তলাতে একটা ফ্ল্যাটে গিয়ে

Friday, July 12, 2013

অনুগল্পঃ জীবন যেমন


চেয়ারম্যান বাড়িতে আজ হুলুস্থুল অবস্থা। একটা গরু জবেহ করা হয়েছে। বাড়ির বাইরে গাছের সাথে একটা ছাগল বেঁধে রাখা হয়েছে। আকরাম খাঁ’র ‘গ্রিন সিগনাল’ পেলেই জবেহ করা হবে, মৌলানা সাহেব ছুরি হাতে তৈরি। মৌলানা সাহেবের আজ অন্য কোনো কাজ নেই, এই বড় বাড়িতে তাঁর দাওয়াত। 
বড় পুকুরে জাল ফেলার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। চেয়ারম্যান আকরাম খাঁ পুকুর পাড়ে একটা চেয়ার নিয়ে চিন্তিত মুখে বসে আছেন। জাল ফেলার আগে জেলের ভাব দেখে উনার সন্দেহ হচ্ছে। রোগা পাতলা চেহারার জেলে। তার ধারণা জাল ফেলার সাথে সাথে ধাক্কা খেয়ে জেলেও পানিতে পড়ে যাবে! প্রথম বার জাল ফেলাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জাল তোলার পর যদি বড় মাছ না ওঠে, যার নামে জাল ফেলা হয় তার অমঙ্গল হয়।

Monday, July 8, 2013

অনুগল্পঃ মায়াময় ভালোবাসা


রাত ৩টা বেজে ৪৫ মিনিট। ঘড়ি তার আপন মনে সময় জানান দিয়ে যাচ্ছে। অবনীর আরও একটি নির্ঘুম রাত। শিহাবকে আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি। গত তিন দিন ধরে শিহাব নিখোঁজ। শিহাবের বন্ধু, পরিচিত কয়েকজন, থানা সব জায়গাতে অবনী তার মুঠোফোন নাম্বার দিয়ে রেখেছে। দিনে অথবা রাতে যখনই জীবিত অথবা মৃত শিহাবের খবর পাওয়া মাত্র যেন তাকে জানানো হয়। লাশ পাওয়া যাওয়ার সম্ভবনাটাই নাকি বেশি। উত্তরা থানার ওসি জামিলুর রহমান অবনীর ভাইয়া আবীর চৌধুরীর বন্ধু। তিনি বললেন শিহাব নাকি রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। তার সন্দেহ, ভিক্টিম রাজনৈতিক গুম। তাই তিনদিন পরে জীবিত পাওয়ার সম্ভবনা খুবই ক্ষীণ। লাশটাও পাওয়ার সম্ভবনাও খুব কম। পাওয়া গেলেও বিচ্ছিন্ন ভাবে।

Monday, July 1, 2013

অনুগল্পঃ বন্দিত্ব


বারান্দাটা এতো ছোট তার উপর এক পা ভাঙ্গা একটা চেয়ার রাখাতে এক জনের বেশি দাঁড়ানো যায় না। চেয়ারটাতে বাবার অনেক স্মৃতি। বাবা মারা যাওয়ার পর এই চেয়ারটার উপর খুব মায়া পড়ে গেছে। তিনতলায় ছোট্ট ছোট্ট দুইটা ঘর, আসবাব পত্র দিয়ে ভর্তি। চেয়ারটা রাখার মত জায়গা নেই, তাই মিতু ওটাকে বারান্দায় রেখেছে। জোছনার আলোতে মিতু তার ছোট্ট বারান্দার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে আছে। সে আশ্চর্য হয়ে খেয়াল করছে আজ জোছনার আলো তাকে গ্রাস করতে পারছে না। ঘরে অসুস্থ মা, তাঁর ওষুধ শেষ।

Friday, June 21, 2013

এক মধুর সম্পর্ক!!


পৃথিবীতে কিছু অল্প মধুর সম্পর্ক আছে তার মধ্যে একটি ভাই বোনের সম্পর্ক।
তবে ছোট ভাই-বোন গুলো নরমালি বিচ্ছু টাইপ হয়!