আকাশে মেঘ দেখার পরও বের হওয়াটা বিরাট বোকামি হয়েছে! ছোটমনি ইমনকে বারবার তাঁর বাসায় থেকে যেতে বলছিল,
‘এত রাতে মেঘ-বৃষ্টি মাথায় করে বের হতে হবে না, রাতটা থেকে যা!’
-না, ছোটমনি! থাকলে চলবে না, যেতেই হবে। আর যে কাজে এসেছিলাম সে কাজ তো হয়েই গেল!
-মানে?
-মানে তোমার সাথে অনেক দিন পর দেখা হল। আজ আমি উঠি।
-রাস্তাতে উঠেই একটা সিএনজি অটোরিক্সা নিয়ে নিবি। বাসায় গিয়ে আমাকে জানাবি...।
শাহবাগ থেকে টিএসসির দিকে আসছি। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার মত বাজে। টিপটিপ বৃষ্টি হচ্ছে। এই কারনেই রাস্তা ফাঁকা ফাঁকা। মাঝে মাঝে দুএকটা রিকশা পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে। জোরে বৃষ্টি নামার আগেই কোথাও আশ্রয় নিতে হবে। দ্রুত হেঁটে যাচ্ছি।
-ভাইয়া, একটু শুনুন প্লিজ!
কাতোর কণ্ঠ। কণ্ঠ উদ্দেশ্য করে তাকালাম। রাস্তার পাশে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। নিয়ন আলোই চেহারা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। কি ঝামেলা! এড়িয়ে যাবো কিনা ভাবছি!
-আমাকে বলছেন?
আজাদ সাহেব যখন স্টেশনে নামলেন তখন রাত ২টার মত। ট্রেন কয়েক ঘন্টা লেট। মফস্বলের ষ্টেশন একেবারে নিরিবিলি। তার ওপর আবার টিপটিপ বৃষ্টি হচ্ছে। তাই রাস্তা-ঘাটও ফাঁকা। এত রাতে বৃষ্টির মাঝে বাসায় রওনা দেওয়াটাও বোকামি। কিন্তু বাসায় পৌঁছানোটাও খুব
আকাশটা দ্রুত মেঘলা হয়ে আসছে। ছেলেটা ভেতরে ভেতরে তাড়া অনুভব করল। আজকের টাকাটা এখনো জোগাড় হয়নি! বৃষ্টি আসার আগেই টাকাটা জোগাড় করতে হবে। ছেলেটা দ্রুত পা চালাতে লাগলো! বৃষ্টি চলে আসলে এখানে আর কাউকে পাওয়া যাবে না।
মানুষের কাছে হাত পেতে সাহায্য চাওয়াটা অনেক লজ্জার! ছেলেটা ছোট হলেও প্রতিদিন টাকার জন্য হাত পেতে ভিক্ষা চাইতে তার খুব খারাপ লাগে। অনেকেই তার ছোট্ট মলিন মুখ দেখে
টিনের চাল আমার অনেক পছন্দের। বিশেষ করে টিনের চালে বৃষ্টির শব্দ! উফ্! ভুলতে পারি না।
আমার গ্রামের বাড়িতে আমার ঘরটা টিনের চালের। প্রথম দিকে ঢাকাতে যে চিলেকোঠায় থাকতাম সেটাতেও