Showing posts with label মা. Show all posts
Showing posts with label মা. Show all posts

Tuesday, January 21, 2014

একটি সুন্দর দৃশ্য!


সরকারী তিতুমীর কলেজের সামনে বাস নষ্ট হয়ে গেল। মেজাজ খারাপ নিয়ে বাধ্য হয়ে বাস থেকে নেমে গুলশান-১ নম্বরের দিকে হাঁটা শুরু করলাম। গুলশান সার্কেলের কাছাকাছি দেখি একটা কিউট পিচ্চি (মেয়ে) একটা প্রাইভেট কারের দরোজার সামনে জিব বের করে মাথায় হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে! পিঠে একটা ছোট্ট পিঙ্ক কালারের কার্টুন ব্যাগ। পিচ্চিটার এমন জিব বের করে মাথায় হাত দেওয়া ভঙ্গি দেখে কেন জানি হেসে দিলাম! কী এমন সর্বনাশ হয়েছে যে

অনুগল্পঃ এপিঠ-ওপিঠ


জমি সংক্রান্ত ঝামেলার জের ধরে তিক্ততার শুরু। চার ভাই এক দিকে আর বৃদ্ধ বাবা একা এক দিকে। ছেলেদের জমে থাকা রাগের প্রকাশ ঘটলো এক রোজার দিন দুপুরে। কথা কাঁটাকাটির এক পর্যায়ে বড় ছেলে জহির ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাবাকে ধাক্কা দিল। বৃদ্ধ বাবা যুবক ছেলের ধাক্কা সামাল দিতে না পেরে মাটিতে পড়ে গেলেন। মাথাটা গিয়ে লাগলো একটা খুঁটির সাথে। জহিরের রাগ তাতেও কমে না, পারলে বাবাকে আরও কয়েকটা লাগিয়ে দেয়! কিন্তু বাইরের দুই

অনুগল্পঃ অভিমানী


বাবা-মা আর তারা দুই ভাই-বোন এই চারজন নিয়ে রিদিমাদের ছোট পরিবার। বাবা ছোট ব্যাবসা করেন, মা শিক্ষিকা এবং ভাই এবার এইচএসসি দিলো। মফস্বলের এমন একটা মধ্যবিত্ত পরিবারের অভিমানী মেয়ে রিদিমার হারিয়ে যাওয়া নিয়ে আজকের গল্প। রিদিমা এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে, তার বয়স ১৫ কিন্তু রেজিস্ট্রেশনে একবছর কমিয়ে ১৪ করা হয়েছে। অর্থাৎ সে যে বয়সটা পার করছে রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, এই বয়সের ছেলে-মেয়েদের মতো পৃথিবীতে এমন ‘বালাই’ আর নাই! তার সমবয়সী অন্যদের ব্যাপার যেমনটা হোক না কেন, সে যে সবার কাছে ধীরে ধীরে ‘বালাই’ হয়ে উঠছে এটা সে ঠিক বুঝতে পারছে। হঠাৎ করে এই

Sunday, January 5, 2014

শত্রু শত্রু খেলা!


আজ ইফতারীর ৩০-৪০ মিনিট আগে আমাদের দরজাতে একজন মা এসেছেন, তাঁর সাদা ড্রেস পরা মেয়েকে খুঁজতে! লাল ড্রেস পরা একটা ছেলে তাঁর মেয়েকে এই বাসার কোনো এক ফ্ল্যাটে নিয়ে এসেছে! তাঁর ছোট ছেলে বোনকে একজনের সাথে এই বাসাতে ঢুকতে দেখেছে। তিনি রিপোর্ট পেয়ে ছুটে এসেছেন। ভদ্র মহিলা মেয়ের খোঁজে এই প্রত্যেকটা ফ্ল্যাটে নক করে চলেছেন। এই বাসাতে চার তলাতে একটা ফ্ল্যাট, পাঁচ তলাতে আমরা একটা ফ্ল্যাট, পাশে আরেকটা ফ্ল্যাট, ছয় তলাতে তিনটা ফ্ল্যাট নিয়ে মোট ছয়টা ফ্ল্যাট ব্যাচেলর থাকে। ছয় তলাতে একটা ফ্ল্যাটে গিয়ে

Wednesday, July 31, 2013

পিশাচের দল


[[লেখাটা সবাইকে মন দিয়ে পড়তে অনুরোধ করছি। আমাদের চারপাশের কিছু সত্যি ঘটনা]]

প্রথম সন্তান ছেলে, দ্বিতীয় সন্তানও ছেলে কিন্তু জন্মের কয়েক মুহূর্ত পর ছেলেটি মারা যাওয়া এক দম্পতির পরবর্তীতে একটা মেয়ের জন্য আর্তনাদ আমি খুব কাছে থেকে দেখেছি। সন্তান গর্ভে আসার পর থেকেই স্বামী স্ত্রীর মনে একটাই কামনা সুস্থ স্বাভাবিক একটা মেয়ে। দুঃখজনক হলেও সত্যি এখনো আমাদের সমাজে মেয়ে হওয়ার কথা শুনলে অনেকেই খুশি হয়না! কিন্তু এই দম্পতি আলাদা। মেয়ের জন্য তাদের আক্ষেপ অপেক্ষার কারণে তারা অনেকের কাছে ঠাট্টার পাত্র হয়েছেন। তবুও উপরওয়ালার কাছে এবার তাদের চাওয়া মেয়ে! আল্ট্রাসানোগ্রাফি করে ডাক্তার শুধু জানতে চাইলেন, ‘প্রথম সন্তান ছেলে না মেয়ে?’ ছেলে শুনে ভাঙা ভাঙা বাংলাতে ডাক্তার বললেন, “চিন্তা করবেন না, পেটের সন্তান ভাল আছে। বাঁকি গডের ইচ্ছা!” ‘ডাক্তার কেন কিছু বললেন না’ এটা নিয়ে সেই দম্পতির ঘুম হারাম!

ভালোবাসা – ০২


[পড়া শুরু করার আগে দয়াকরে ফুটনোটটা পড়ে নিন।]
যখন খুব ছোট ছিলাম তখন নাকি প্রায়ই জর আসলে চোখ উল্টে যেত। অচেতন হয়ে যেতাম। বাড়ি শুদ্ধ লোকের হুড়মুড় লেগে যেত! রাত যত গভীরই হোক গ্রামের অনেকেই খবর শোনা মাত্র আমাকে দেখতে চলে আসতো। ‘গ্রামের অনেকেই’ বলাটা মনে হয় ঠিক হচ্ছেনা! আমি আসলেই একটা অকৃতজ্ঞ! তাঁরা আমার বাড়ির বা রক্তের সম্পর্কের কেউ না হলেও আমার জন্য যতটুকু ভালোবাসা দেখিয়েছেন আমি সবটুকু বলে শেষ করতে পারব না। তাঁদের অনেক গল্প আম্মুর মুখে শোনা আবার অনেক গল্প শুনেছি ছোটমনির কাছে।

এক 
আমার জন্মের ঠিক দুই দিন আগে পাশের বাড়ির এক চাচীর ছেলে জন্মের সময় মারা যায়।

Friday, July 5, 2013

অনুগল্পঃ মায়া


মায়ের কথা মনে আসলেই নিতুর ঘেন্না লাগে! রাহেলা বেগম মা হিসেবে হয়ত খুব একটা খারাপ ছিল না কিন্তু মানুষ হিসেবে সে জঘন্য! তাই নিতু কখনো তার কথা ভাবতে চায় না। কিন্তু শেফা ছোট মানুষ। ও মাঝে মধ্যেই মায়ের কথা জানতে চায়। ‘আপা, আমার মা কোথায়?’ ‘মা দেখতে কেমন ছিল, আপা?’
-শেফা, আমার সামনে আর কক্ষনো তার কথা বলবি না!
-কিন্তু কেন আপা? সবার মা আছে শুধু আমার মা নেই কেন আপা?
-উফ্‌! এই মেয়েটা এত প্রশ্ন করতে পারে! তোর মা মারা গেছে!
-মারা গেলে মানুষ কোথায় যায় আপা?

Monday, July 1, 2013

অনুগল্পঃ বন্দিত্ব


বারান্দাটা এতো ছোট তার উপর এক পা ভাঙ্গা একটা চেয়ার রাখাতে এক জনের বেশি দাঁড়ানো যায় না। চেয়ারটাতে বাবার অনেক স্মৃতি। বাবা মারা যাওয়ার পর এই চেয়ারটার উপর খুব মায়া পড়ে গেছে। তিনতলায় ছোট্ট ছোট্ট দুইটা ঘর, আসবাব পত্র দিয়ে ভর্তি। চেয়ারটা রাখার মত জায়গা নেই, তাই মিতু ওটাকে বারান্দায় রেখেছে। জোছনার আলোতে মিতু তার ছোট্ট বারান্দার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে আছে। সে আশ্চর্য হয়ে খেয়াল করছে আজ জোছনার আলো তাকে গ্রাস করতে পারছে না। ঘরে অসুস্থ মা, তাঁর ওষুধ শেষ।

Thursday, June 20, 2013

যখন পড়বে না মোর পায়ের চিন্হ‌...


এক.
মেয়েটার নাম অস্তিত্ব। বয়স ৯ বছর। বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেই সে তার বাবামাকে ঝগড়া করতে দেখে আসছে। এমন দিন খুব কমই আছে তারা ঝগড়া করে না। একজন আরেক জনকে সহ্যই করতে পারে না। ছোট তুচ্ছ বিষয় নিয়েও চলে তুমুল ঝগড়া। বাবা মা যখন ঝগড়া করে তখন অস্তিত্বর খুব কষ্ট লাগে। তখন সে বাথরুমের দরজা বন্ধ করে কান্না করে। তার ধারনা

Wednesday, June 19, 2013

নৈরাশ্যবাদী!


বিভিন্ন দিবস মানে 'বাবা দিবস' 'মা দিবস' 'ভালোবাসা দিবস' আসলেই কিছু মানুষের পেটে কৃমি কামড়াকামড়ি শুরু করে! তখন তারা বিভিন্ন স্ট্যাটাসে এমন মহা বয়ান ঝাড়া শুরু করে!

>বাবা-মাকে ভালোবাসতে বাবা-মা দিবসের কি দরকার?
>একদিন ভালোবাসা না দেখিয়ে ৩৬৪ দিন ভালোবাসা দেখান।
>বাবা-মার খোঁজ নিয়েছেন নাকি ফেসবুকেই স্ট্যাটাস দিয়েই খালাস?
>আপনার বাবা-মা কি ফেসবুক ব্যাবহার করে যে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে উইশ করছেন? ব্লা ব্লা ব্লা...
এক কথায় এরা আসলে নৈরাশ্যবাদী! অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ, ভাল-খারাপ, বাল-ছাল কিছু

Thursday, June 13, 2013

অনুগল্পঃ ছেলেটা-৩


আকাশটা দ্রুত মেঘলা হয়ে আসছে। ছেলেটা ভেতরে ভেতরে তাড়া অনুভব করল। আজকের টাকাটা এখনো জোগাড় হয়নি! বৃষ্টি আসার আগেই টাকাটা জোগাড় করতে হবে। ছেলেটা দ্রুত পা চালাতে লাগলো! বৃষ্টি চলে আসলে এখানে আর কাউকে পাওয়া যাবে না। 

মানুষের কাছে হাত পেতে সাহায্য চাওয়াটা অনেক লজ্জার! ছেলেটা ছোট হলেও প্রতিদিন টাকার জন্য হাত পেতে ভিক্ষা চাইতে তার খুব খারাপ লাগে। অনেকেই তার ছোট্ট মলিন মুখ দেখে

Saturday, May 18, 2013

ছেলেটা-০১


গল্পটা ছেলেটার এইসএসসি পরীক্ষার সময়ের। পরীক্ষা চলছে। হঠাৎ তার ফিজিক্স পরীক্ষা খারাপ হয়ে গেল। শুধু খারাপ না, পাশ ফেল নিয়ে টানাটানি। ছাত্র হিসেবে সে কখনোই খারাপ ছিল না। তাই তার কাছে এমন কিছু সত্যি অপ্রত্যাশিত ছিল! চারেদিক থেকে শত শত কথার তীর! যেন পৃথিবীর সবাই তার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে! এমনি গ্রামের ছেলে হয়ে স্রোতের বিপরীতে এসএসসি পাশ করার পর শহরে ভর্তি হওয়া নিয়ে অনেকের চক্ষু শূল, তার উপর

মা এবং একটি আকুতি


"There are many things in heaven & earth" 
কিন্তু সন্তানের জন্য মায়ের চেয়ে বড় শুভাকাঙ্ক্ষী এই পৃথিবীতে আর আছে কি? 'মা' ছোট্ট অথচ মধুর একটি শব্দ। মাকে নিয়ে আমাদের অনুভূতিরও শেষ নেই। 

কিন্তু গুগলে কখনো 'মা' লিখে খোঁজ করেছেন? করে থাকলে আপনার গা শিউরে ওঠার কথা! পাতার পর পাতা খোঁজ করলেও মাকে নিয়ে ভাল কোনো অনুভূতি পাবেন না। কিছু নরকের কীট মাকে নিয়ে 'চটি গল্প' লিখে ভরে ফেলেছে। এর চেয়ে কষ্টের আর কি হতে পারে?

Friday, May 10, 2013

মামাতো ভাইয়ের বিয়ে ও আমার প্রতিবাদ ইভেন্ট!


আজ সমবয়সী মামাতো ভাইয়ের বিয়ে হয়ে গেল। ভার্সিটির কিছু কাজে আমি যেতে পারি নি। এখন মনে হচ্ছে না গিয়ে ভালোই হয়েছে! মহা সমারোহে আমার বাপ-মা বিয়ে খেয়ে বড়াচ্ছে আর ঘন্টা ঘন্টায় আমাকে ফোন করে আপডেট জানাচ্ছে! >:( >:( বউ এমন, বউ তেমন! এইডা

ভালোবাসা - ০১ > নাম সমাচার


যৌথ পরিবারে সেই সময় একমাত্র পিচ্চি হওয়ার সুবাদে সবার আনলিমটেড আদর ভালোবাসা পেয়ে বড় হয়েছি। দাদা-দাদি-ফুফু-চাচু পরিবারের সবাই যত ভালোবাসা এই অভাজনকে দিয়েছে তার ভার সহ্য করার ক্ষমতা পরমকরুনাময় কিন্তু দেন নাই।

আমার বড় দাদা ভয়ানক রাগী মানুষ ছিলেন... জন্মের পর উনি ইতিহাসের এক বিখ্যাত

Wednesday, May 8, 2013

কাকতালীয় ও টেলিপ্যাথি


অলৌকিক ব্যাপারে আমার তেমন বিশ্বাস নেই তবে কাকতালীয় বলে ব্যাপার গুলো মনে-প্রাণে মানি। অনেকেই দেখি নিতান্ত কাকতালীয় ব্যাপার গুলোকে অলৌকিক ধ্যান জ্ঞান করেন!! 

আজ সন্ধ্যাতে কাকতালীয় টেলিপ্যাথি জাতীয় একটা ব্যাপারে খানিকটা চমকে উঠেছিলাম! অসময়ে হঠাৎ কেন

Tuesday, May 7, 2013

আমার ভয়ংকর মা! ভালোবাসি ভালোবাসি! ♥

আমার মা।
বেশ কয়েক বছর আগে আমার নানা বাড়িতে তোলা।

পৃথিবীর সকল মা-দের নারী দিবসের শুভেচ্ছা, যুগে-যুগে, কালে-কালে সকল সভ্যতাতে তাঁরাই শ্রেষ্ঠ নারী। নারী দিবস নিয়ে আলাদা কিছু লিখবো না। আমার সবচেয়ে কাছে থেকে দেখা নারী হচ্ছে আমার মা। আজকে আমার মায়ের গল্প। প্রথম সন্তান যদি ছেলে হয়, স্বাভাবিক ভাবেই মায়েরা নাকি তাঁদের বেশি ভালবাসেন কারন প্রথম ছেলে মাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়। এই গল্পে পরে আসছি। তো আমার মাও নিয়মের বিপরীত না। কোথায় জানি পড়েছিলাম-
“মা হচ্ছে দুই প্রকার- চুমা দেওয়া মা আর বকুনি দেওয়া মা; তবে তাঁদের ভালোবাসা একই রকম। এবং বেশির ভাগ মা একসাথে চুমা ও পিটুনি দেওয়া হয়!” :D :D