Showing posts with label বাবা. Show all posts
Showing posts with label বাবা. Show all posts

Sunday, March 16, 2014

অনুগল্পঃ বিলাসিতা


-বাজান, কয়েল আনছো?
-ভুইল্লা গেছি রে, বাজান!
-আইজও ভুইল্লা গেছো? কয়েলের কতা তুমার এক দিনও মনে থাহে না ক্যান? জানো বাজান, মশার কামুড়ে আমার রাইতে ঘুম অয় না!

Tuesday, January 21, 2014

অনুগল্পঃ এপিঠ-ওপিঠ


জমি সংক্রান্ত ঝামেলার জের ধরে তিক্ততার শুরু। চার ভাই এক দিকে আর বৃদ্ধ বাবা একা এক দিকে। ছেলেদের জমে থাকা রাগের প্রকাশ ঘটলো এক রোজার দিন দুপুরে। কথা কাঁটাকাটির এক পর্যায়ে বড় ছেলে জহির ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাবাকে ধাক্কা দিল। বৃদ্ধ বাবা যুবক ছেলের ধাক্কা সামাল দিতে না পেরে মাটিতে পড়ে গেলেন। মাথাটা গিয়ে লাগলো একটা খুঁটির সাথে। জহিরের রাগ তাতেও কমে না, পারলে বাবাকে আরও কয়েকটা লাগিয়ে দেয়! কিন্তু বাইরের দুই

অনুগল্পঃ অভিমানী


বাবা-মা আর তারা দুই ভাই-বোন এই চারজন নিয়ে রিদিমাদের ছোট পরিবার। বাবা ছোট ব্যাবসা করেন, মা শিক্ষিকা এবং ভাই এবার এইচএসসি দিলো। মফস্বলের এমন একটা মধ্যবিত্ত পরিবারের অভিমানী মেয়ে রিদিমার হারিয়ে যাওয়া নিয়ে আজকের গল্প। রিদিমা এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে, তার বয়স ১৫ কিন্তু রেজিস্ট্রেশনে একবছর কমিয়ে ১৪ করা হয়েছে। অর্থাৎ সে যে বয়সটা পার করছে রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, এই বয়সের ছেলে-মেয়েদের মতো পৃথিবীতে এমন ‘বালাই’ আর নাই! তার সমবয়সী অন্যদের ব্যাপার যেমনটা হোক না কেন, সে যে সবার কাছে ধীরে ধীরে ‘বালাই’ হয়ে উঠছে এটা সে ঠিক বুঝতে পারছে। হঠাৎ করে এই

Sunday, January 5, 2014

বিশ্বাস


আমি ক্লাস এইটে থাকতে আমার বাবাকে এলাকার সেচ্ছাসেবক (!) টাইপ একজন এসে বলেছিল, আমি নাকি নিয়মিত সিগারেট খাই! তার কথা শুনে আমার বাবা শুধু বলেছিল, 'আমি নিজে যে জিনিস খাই না, আমার ছেলেও সেই জিনিস খাবে না! এটা মিথ্যা কথা।'
এই কথাটা কোনো ভাবে আমার কানে চলে আসে। কথাটা শোনার পর আমি খুব খুশি

Wednesday, July 31, 2013

পিশাচের দল


[[লেখাটা সবাইকে মন দিয়ে পড়তে অনুরোধ করছি। আমাদের চারপাশের কিছু সত্যি ঘটনা]]

প্রথম সন্তান ছেলে, দ্বিতীয় সন্তানও ছেলে কিন্তু জন্মের কয়েক মুহূর্ত পর ছেলেটি মারা যাওয়া এক দম্পতির পরবর্তীতে একটা মেয়ের জন্য আর্তনাদ আমি খুব কাছে থেকে দেখেছি। সন্তান গর্ভে আসার পর থেকেই স্বামী স্ত্রীর মনে একটাই কামনা সুস্থ স্বাভাবিক একটা মেয়ে। দুঃখজনক হলেও সত্যি এখনো আমাদের সমাজে মেয়ে হওয়ার কথা শুনলে অনেকেই খুশি হয়না! কিন্তু এই দম্পতি আলাদা। মেয়ের জন্য তাদের আক্ষেপ অপেক্ষার কারণে তারা অনেকের কাছে ঠাট্টার পাত্র হয়েছেন। তবুও উপরওয়ালার কাছে এবার তাদের চাওয়া মেয়ে! আল্ট্রাসানোগ্রাফি করে ডাক্তার শুধু জানতে চাইলেন, ‘প্রথম সন্তান ছেলে না মেয়ে?’ ছেলে শুনে ভাঙা ভাঙা বাংলাতে ডাক্তার বললেন, “চিন্তা করবেন না, পেটের সন্তান ভাল আছে। বাঁকি গডের ইচ্ছা!” ‘ডাক্তার কেন কিছু বললেন না’ এটা নিয়ে সেই দম্পতির ঘুম হারাম!

Thursday, July 18, 2013

অনুগল্পঃ অর্থহীন জীবন


নুরু মৃধা বাড়ির উঠান আজ লোকে লোকারণ্য। সবার চোখে তার জন্য করুণা। নুরু মৃধা অনেক শক্ত মনের মানুষ কিন্তু তিনি নিজেকে স্থির রাখতে পারছেন না। উঠানে তার ছোট বেলার বন্ধু রশিদকেও দেখা গেল। রশিদ তার দিকে তাকিয়ে তিরস্কার জড়ানো মৃদু হাসি দিল! তিনি ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলেন। নুরু মৃধার চোখের সামনে অতীতের সব স্মৃতি ভেসে উঠছে। বেশি দিন আগের কথা তো না। তখন গ্রামের মধ্যে একটা গুজব উড়ে বেড়াচ্ছিলো। তিনদিন ধরে রশিদের মেয়ে লিপিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! যদিও রশিদের পরিবারের সবাই তখন ব্যাপারটা স্বীকার করেনি। তারা সবাইকে বলছিল লিপি খালার বাড়ি বেড়াতে গিয়েছে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সবাই লিপির খোঁজ করছে। কিন্তু গ্রামের মানুষের বিনোদনের বড়ই অভাব। ব্যাপারটা সবাইকে বিনোদনের খোরাক দিল। সবখানে এই বিষয় নিয়ে মুখরোচক আলোচনা! মানুষের মুখে হাত দিয়ে রাখা মুশকিল। তার উপর রশিদ দক্ষিণ পাড়ার লালনের নামে লিপি অপহরণের মামলা করে দিল! আলোচনার আগুনে ঘি পড়ল! গুজবটা সত্যি প্রমাণ হয়ে গেল। কারণ লিপি নিখোঁজের দিন থেকে লালনও লাপাত্তা! লিপিকে নিয়ে গ্রামে তখন ছিঃ ছিঃ রব। এভেবে বেশ কিছু দিন কেটে গেল। মানুষ গুলো যখন ধীরে ধীরে সব ভুলে যেতে বসেছে ঠিক তখনই সবাইকে অবাক করে লিপি একা একা বাড়ি ফিরে এলো! এরপরের ঘটনা আরও জটিল আর স্পর্শকাতর।

অনুগল্পঃ ছোটলোক


এক.
এশার নামাজ শেষ করে জমিরুদ্দীন সরদার কালুর কাছে এক গ্লাস পানি চাইলেন। আজ তার গলাটা বার বার শুকিয়ে যাচ্ছে। কালু পানি নিয়ে প্রস্তুত ছিল। কালু জমিরুদ্দীন সরদারের ডান হাত। সে সব সময় তার সাথে ছায়ার মত থাকে। পানি দিয়ে তার চলে যাওয়ার কথা, কিন্তু সে দাঁড়িয়ে আছে। তার মানে সে কিছু বলতে চায়। জমিরুদ্দীন সরদার কালুকে গুরুত্ব দিলেন না, তিনি কাঁচের গ্লাসের দিকে তাকিয়ে আছেন। কালু দাঁড়িয়ে আছে থাক। দাঁড়িয়ে থাকাই তার কাজ। তিনি কিছু জিজ্ঞাসা না করলে কালু কিছু বলবেও না। পানির মধ্যে একটা ছোট্ট কালো কুটি দেখা যাচ্ছে। পানিটা ফেলে কালুকে নতুন পানি আনতে বললেই সে আনবে কিন্তু বলতে ইচ্ছে করছে না। কুটিটা ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে...যাক। তলিয়ে গেলে তখন পানিটা খাওয়া যাবে।

Monday, July 15, 2013

অনুগল্পঃ একজন রমিজ মিয়া


রমিজ মিয়ার মেজাজ বেজায় খারাপ! বাইরে কিছুটা হাঁটাহাঁটি করতে পারলে রাগ কিছুটা কমত! কিন্তু বাইরে টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে। এত রাতে বৃষ্টির মধ্যে বাইরে বের হওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ না। তার সামনে এখন ঘোর বিপদ। তাকে এখন বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করতে হবে। পাশের ঘরে তার স্ত্রী আর একমাত্র কন্যার কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে। এই কিছুক্ষণ আগে মেয়ের গালে তিনি কয়েকটা থাপ্পড় বসিয়ে দিয়েছেন! এত বড় মেয়ের গায়ে হাত তোলা ঠিক না। তার স্ত্রী জমিলা বেগম বাঁধা দিতে আসলে তাকেও একটা থাপ্পড় দিয়েছেন। আসলে মেজাজ খারাপ হলে তিনি জ্ঞান শূন্য হয়ে যান।

Friday, July 5, 2013

অনুগল্পঃ মায়া


মায়ের কথা মনে আসলেই নিতুর ঘেন্না লাগে! রাহেলা বেগম মা হিসেবে হয়ত খুব একটা খারাপ ছিল না কিন্তু মানুষ হিসেবে সে জঘন্য! তাই নিতু কখনো তার কথা ভাবতে চায় না। কিন্তু শেফা ছোট মানুষ। ও মাঝে মধ্যেই মায়ের কথা জানতে চায়। ‘আপা, আমার মা কোথায়?’ ‘মা দেখতে কেমন ছিল, আপা?’
-শেফা, আমার সামনে আর কক্ষনো তার কথা বলবি না!
-কিন্তু কেন আপা? সবার মা আছে শুধু আমার মা নেই কেন আপা?
-উফ্‌! এই মেয়েটা এত প্রশ্ন করতে পারে! তোর মা মারা গেছে!
-মারা গেলে মানুষ কোথায় যায় আপা?

Monday, July 1, 2013

অনুগল্পঃ বন্দিত্ব


বারান্দাটা এতো ছোট তার উপর এক পা ভাঙ্গা একটা চেয়ার রাখাতে এক জনের বেশি দাঁড়ানো যায় না। চেয়ারটাতে বাবার অনেক স্মৃতি। বাবা মারা যাওয়ার পর এই চেয়ারটার উপর খুব মায়া পড়ে গেছে। তিনতলায় ছোট্ট ছোট্ট দুইটা ঘর, আসবাব পত্র দিয়ে ভর্তি। চেয়ারটা রাখার মত জায়গা নেই, তাই মিতু ওটাকে বারান্দায় রেখেছে। জোছনার আলোতে মিতু তার ছোট্ট বারান্দার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে আছে। সে আশ্চর্য হয়ে খেয়াল করছে আজ জোছনার আলো তাকে গ্রাস করতে পারছে না। ঘরে অসুস্থ মা, তাঁর ওষুধ শেষ।

Thursday, June 20, 2013

যখন পড়বে না মোর পায়ের চিন্হ‌...


এক.
মেয়েটার নাম অস্তিত্ব। বয়স ৯ বছর। বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেই সে তার বাবামাকে ঝগড়া করতে দেখে আসছে। এমন দিন খুব কমই আছে তারা ঝগড়া করে না। একজন আরেক জনকে সহ্যই করতে পারে না। ছোট তুচ্ছ বিষয় নিয়েও চলে তুমুল ঝগড়া। বাবা মা যখন ঝগড়া করে তখন অস্তিত্বর খুব কষ্ট লাগে। তখন সে বাথরুমের দরজা বন্ধ করে কান্না করে। তার ধারনা

Wednesday, June 19, 2013

নৈরাশ্যবাদী!


বিভিন্ন দিবস মানে 'বাবা দিবস' 'মা দিবস' 'ভালোবাসা দিবস' আসলেই কিছু মানুষের পেটে কৃমি কামড়াকামড়ি শুরু করে! তখন তারা বিভিন্ন স্ট্যাটাসে এমন মহা বয়ান ঝাড়া শুরু করে!

>বাবা-মাকে ভালোবাসতে বাবা-মা দিবসের কি দরকার?
>একদিন ভালোবাসা না দেখিয়ে ৩৬৪ দিন ভালোবাসা দেখান।
>বাবা-মার খোঁজ নিয়েছেন নাকি ফেসবুকেই স্ট্যাটাস দিয়েই খালাস?
>আপনার বাবা-মা কি ফেসবুক ব্যাবহার করে যে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে উইশ করছেন? ব্লা ব্লা ব্লা...
এক কথায় এরা আসলে নৈরাশ্যবাদী! অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ, ভাল-খারাপ, বাল-ছাল কিছু

Sunday, June 16, 2013

বাবা দিবস ও আমার বাপজান!


বাপজানের খুব টেনশন। এলাকাতে খুব ভাইরাস জর হচ্ছে। সাবধানে থাকতে হবে, খুব জরুরী কাজ ছাড়া রোদে বের হওয়া যাবে না, অনিয়ম করা যাবে না...যে কোনো সময় জর বেধে যেতে পারে! ঢাকাতে দেখারে কেউ নেই! একের পর এক ফোন! সকালে বিকেলে ফোন। ফোনে কণ্ঠ কেমন জানি শোনায়। জিজ্ঞাসা করলে বলে, "কিছু না"।. আজ আম্মুর কাছে শুনলাম আমি ঢাকা আসার রাত থেকেই বাপের প্রচণ্ড জর। একদিন বিছানায় পড়েও ছিল। কিচ্ছু খেতে পারে না, দুর্বল হয়ে গেছে। অথচ তাঁর সাথে আমার প্রতিদিন কথা হচ্ছে, আমাকে কিছু বুঝতে দেয়নি!

বাপজানের সাথে আমার সম্পর্কটা এমনই! যতই অসুস্থ থাকুক আমাকে জানাতে চায় না, এমন

Saturday, May 18, 2013

ছেলেটা-০১


গল্পটা ছেলেটার এইসএসসি পরীক্ষার সময়ের। পরীক্ষা চলছে। হঠাৎ তার ফিজিক্স পরীক্ষা খারাপ হয়ে গেল। শুধু খারাপ না, পাশ ফেল নিয়ে টানাটানি। ছাত্র হিসেবে সে কখনোই খারাপ ছিল না। তাই তার কাছে এমন কিছু সত্যি অপ্রত্যাশিত ছিল! চারেদিক থেকে শত শত কথার তীর! যেন পৃথিবীর সবাই তার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে! এমনি গ্রামের ছেলে হয়ে স্রোতের বিপরীতে এসএসসি পাশ করার পর শহরে ভর্তি হওয়া নিয়ে অনেকের চক্ষু শূল, তার উপর

Monday, May 13, 2013

এতো রক্তের সাথে রক্তের টান, স্বার্থের অনেক উর্ধে...


"এতো রক্তের সাথে রক্তের টান
স্বার্থের অনেক উর্ধে..."


আমার বাপ ভয়ংকর বদমেজাজী একজন মানুষ। বাপের কাছে থেকে রাগ জেদের জিন খুব ভাল মত আমিও পেয়েছি! যখন ছোট ছিলাম, খুব সামান্য কারনেও বাপের হাতে প্রচুর মার

Friday, May 10, 2013

মামাতো ভাইয়ের বিয়ে ও আমার প্রতিবাদ ইভেন্ট!


আজ সমবয়সী মামাতো ভাইয়ের বিয়ে হয়ে গেল। ভার্সিটির কিছু কাজে আমি যেতে পারি নি। এখন মনে হচ্ছে না গিয়ে ভালোই হয়েছে! মহা সমারোহে আমার বাপ-মা বিয়ে খেয়ে বড়াচ্ছে আর ঘন্টা ঘন্টায় আমাকে ফোন করে আপডেট জানাচ্ছে! >:( >:( বউ এমন, বউ তেমন! এইডা

ভালোবাসা - ০১ > নাম সমাচার


যৌথ পরিবারে সেই সময় একমাত্র পিচ্চি হওয়ার সুবাদে সবার আনলিমটেড আদর ভালোবাসা পেয়ে বড় হয়েছি। দাদা-দাদি-ফুফু-চাচু পরিবারের সবাই যত ভালোবাসা এই অভাজনকে দিয়েছে তার ভার সহ্য করার ক্ষমতা পরমকরুনাময় কিন্তু দেন নাই।

আমার বড় দাদা ভয়ানক রাগী মানুষ ছিলেন... জন্মের পর উনি ইতিহাসের এক বিখ্যাত

Wednesday, May 8, 2013

কাকতালীয় ও টেলিপ্যাথি


অলৌকিক ব্যাপারে আমার তেমন বিশ্বাস নেই তবে কাকতালীয় বলে ব্যাপার গুলো মনে-প্রাণে মানি। অনেকেই দেখি নিতান্ত কাকতালীয় ব্যাপার গুলোকে অলৌকিক ধ্যান জ্ঞান করেন!! 

আজ সন্ধ্যাতে কাকতালীয় টেলিপ্যাথি জাতীয় একটা ব্যাপারে খানিকটা চমকে উঠেছিলাম! অসময়ে হঠাৎ কেন

দু'টি কবিতা এবং আমি


ছোটতে কবিতা বলতে ধারনা ছিল 'আম পাতা জোড়া জোড়া' বা 'ঐ দেখা যায় তাল গাছ' পর্যন্ত। আরেকটু বড় হয়ে বুঝলাম এগুলা কবিতা না, ছড়া নামে পরিচিত!
তখন পরিচয় হল 'বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ঐ' অথবা 'শোন মা আমিনা রেখে দেরে জল' কবিতা গুলোর সাথে। 
কবিতা সম্পর্কে আমার সব ধারনা ভুল প্রমান করে দিল শামসুর রাহমানের "একটি ফটোগ্রাফ" কবিতাটা!

Monday, May 6, 2013

বাপের হাতে শেষ মাইর!


বাপের হাতে শেষ মার খেয়েছি ক্লাস ৯ এ থাকতে। অল্প মার না, সেই উথাল-পাথাল মার!! ঘটনা হচ্ছে জীববিজ্ঞানের এটা আধ্যায় নিয়া। পড়ছি... পড়ছি... কিন্তু মুখস্থ হয় না (হবে কি ভাবে? হওয়ানোর ইচ্ছা থাক তে হবে তো...? পড়াতেই আমার মনোযোগ নাই!) বাপ এইটা খেয়াল করেছে। রাত ১১টা বাজে আমি পড়ার ভান করেই যাচ্ছি! হঠাৎ বলা নেই কওয়া নেই মার শুরু। :/ :/ :/